আজ প্রতীক বরাদ্দ, কাল থেকে মাঠে নামছেন প্রার্থীরা – Somoyedition

আজ প্রতীক বরাদ্দ, কাল থেকে মাঠে নামছেন প্রার্থীরা

লেখক: প্রতিবেদক ঢাকা
প্রকাশ: জানুয়ারি ২১, ২০২৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আজ সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আজ বুধবার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনী লড়াইয়ের চূড়ান্ত রূপ পাবে প্রার্থীদের পরিচয়।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হওয়ার পর আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকেই প্রার্থীরা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করবেন। পোস্টার, লিফলেট, পথসভা, গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশের মধ্য দিয়ে জমে উঠবে নির্বাচনের মাঠ।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, ‘প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখের পরবর্তী দিন, অর্থাৎ ২১ জানুয়ারি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করতে হবে এবং একই সঙ্গে প্রতীকসহ প্রার্থীদের নামের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে।’ নির্দেশনা অনুযায়ী ইতোমধ্যে প্রতীক বরাদ্দের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসি।

ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে, যা আলাদা ব্যালট পেপারের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হবে। ভোটগ্রহণে কোনো বিরতি থাকবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত দুই হাজারেরও বেশি প্রার্থী বৈধ প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন। স্বচ্ছ ব্যালট পেপারের মাধ্যমে অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচনে দেশের প্রায় ১২ কোটি ৭৭ লাখ ভোটার তাদের সাংবিধানিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

ইসি পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতীক বরাদ্দের সময় প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণানুক্রম অনুযায়ী সাজিয়ে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হবে। এতে করে ভোটারদের জন্য প্রার্থী শনাক্তকরণ আরও সহজ হবে বলে আশা করছে কমিশন।

প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে নির্বাচন কার্যক্রমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতিযোগিতামূলক ধাপ শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতীক হাতে পাওয়ার পর প্রার্থীদের প্রচারণা, জনসংযোগ ও নির্বাচনী অঙ্গীকারের মাধ্যমে ভোটারদের মন জয় করার প্রতিযোগিতা আরও তীব্র হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।